• রবিবার, ২০ জুন ২০২১, ০৪:৪০ অপরাহ্ন
  • বাংলা বাংলা English English
ব্রেকিং নিউজঃ
গোমস্তাপুরে করোনায় মারা যাওয়া সেনাসদস্যকে সামরিক মর্যদায় দাফন নড়াইলের পল্লীতে করোনায় এক মহিলা মৃত্যু পঞ্চগড়ের ট্রলি সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে ২ যাত্রী নিহত মানবতার ফেরিওয়ালা কাশিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ নেতৃত্বে মাস্ক বিতরণ নীলফামারীতে ২য় পর্যায়ে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের মাঝে গৃহ প্রদানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন সিরাজগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার সহ ২০ লাখ টাকার হেরোইন উদ্ধার সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের চাবি হস্তান্তর পীরগঞ্জে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান টাঙ্গাইলের মধুপুরে গৃহহীন ও ভূমিহীনদের মাঝে নূতন ঘরসহ জমি হস্তান্তর যাদু কাটা নদীতে লাখো শ্রমিকের মুখে হাসি
নোটিশঃ
যুগান্তর টাইমস - এ সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে...




কনকনে ঠান্ডায় আবার কাবু উত্তরের জনপদ কুড়িগ্রামের মানুষ

রুহুল আমিন রুকু,কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি / ১০২ বার পড়া হয়েছে
প্রকাশিত হয়েছে : মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২১




শীত ও কনকনে ঠান্ডায় কাবু হয়ে পড়েছে উত্তরের জনপদ কুড়িগ্রামের মানুষ। মঙ্গলবার দিনভর সুর্যের দেখা না মেলায় উত্তরীয় হিমেল হাওয়া বাড়িয়ে দিয়েছে ঠান্ডার মাত্রা। এ অবস্থায় ব্যাহত হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জীবন যাত্রা।
এর আগে গত তিনদিন ধরে দিনের বেলা সুর্যের দেখা মিললেও রাত ৮ টার পর ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছিল প্রকৃতি এবং তা অব্যাহত ছিল সকাল ১০টা থেকে ১১ টা পর্যন্ত। কিন্তু মঙ্গলবার বেলা গড়িয়ে গেলেও মিলছে না সুর্যের দেখা। কুয়াশায় ঢেকে আছে প্রকৃতি।
স্থানীয় আবহাওয়া অফিসের কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষন সুবল চন্দ্র সরকার জানায়, মঙ্গলবার জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ৪ ডিগ্রী সেলসিয়াস।
ঠান্ডার মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন জেলার কৃষি শ্রমিকরা। বোরো চাষের ভরা মৌসুম চললেও কনকনে ঠান্ডায় শ্রমিকরা ঠিকমত মাঠে কাজ করতে না পারায় ব্যাহত হয়ে পড়েছে বোরো আবাদ।
কনকনে ঠান্ডায় গরম কাপড়ের অভাবে দুর্ভোগ বেড়েছে ছিন্নমূল, হতদরিদ্র পারিবারের শিশু ও বৃদ্ধরা।কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার উমরমজিদ ইউনিয়নের কৃষি শ্রমিক আরমান আলী জানান, এই ঠান্ডায় এমনিতেই হাত-পা বাইরে রাখা মুশকিল হয়ে পড়েছে। তার উপর পানিতে নেমে রোয়া লাগানো অসাধ্য হয়ে পড়েছে। কুড়িগ্রাম শহরের রিকসা চালক আলম মিয়া জানান, গত কয়েকদিন রাতের বেলা ঠান্ডা বেশি থাকলেও দিনের তেমন ঠান্ডা ছিল না। কিন্তু এখন যে অবস্থা তাতে গরম জামা কাপড় গায়ে লাগিয়ে রিকসা নিয়ে বেরিয়েছি। কিন্তু টেকা যাচ্ছে না। শিরশির বাতাস জামা-কাপড় ভেদ করে ভিতরে ঢুকছে।
অন্যদিকে টানা শীতে জেলার
হাতপাতালগুলোতে বেড়েছে শীত জনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। বিশেষ করে শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্টসহ নানা শীত জনিত রোগে।
কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. পুলক কুমার সরকার জানান, কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ২৫ জন ডায়রিয়া ও ৬ জন নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত শিশু চিকিৎসা নিচ্ছে। স্বাভাবিকের চেয়ে গত ১৫ দিন ধরে রোগীর সংখ্যা একটু বেশি বলে জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই বিভাগের আরো খবর
error: Content is protected !!
error: Content is protected !!